Posts

Showing posts from March, 2025

history of Pizza. পিৎজার ইতিহাস!

Image
বিশ্বের জনপ্রিয় ফার্স্ট ফুড এর মধ্যে একটি হলো পিজ্জা। ঐতিহাসিক শিকড় লুকিয়ে আছে প্রাচীন যুগে। ১৮৮৯ সালে একটি রাজকীয় অনুমোদনের মাধ্যমে এটি বিশ্বজুড়ে খ্যাতি লাভ করে। আমেরিকায় প্রতিবছর প্রায় তিন বিলিয়ন পিজা বিক্রি হয়, কিন্তু কিভাবে এই পিজা বিশ্বকাপে লাভ করলো ? মানুষ বহু সময় আগে থেকেই বিভিন্ন ধরনের পিজা খেয়ে আসছে। প্রাচীনকালে ব্রেড টুকরোর ওপর বিভিন্ন সুস্বাদু উপাদান যোগ করে এটি পরিবেশন করা হতো। সাধারণত তখনকার দিনে যারা থালা কিনতে পারত না বা যারা চলার পথে খাবার খেত তাদের জন্য এটা জনপ্রিয় ছিল। এই প্রাচীন পিজ্জার উল্লেখ ভীর্জিলের এনিয়েড কাব্যে পাওয়া যায়। এনিয়াস নামে এক ব্যক্তি এবং তার সঙ্গীরা যাত্রার সময় একটি গাছের নিচে বসে পাতলা গমের রুটির উপরে জঙ্গলে পাওয়া মাশরুম এবং গুল্ম দিয়ে রুটিগুলো সাজিয়েছিল। এটা খেয়ে এনিয়াসের পুত্র তাশকানিয়াশ বিস্মিত হয়ে বলল: দেখো আমরা তো আমাদের প্লেটটাই খেয়ে ফেলেছি। কিন্তু বর্তমান পূজার জন্ম হয় ১৮ শতকের শেষের দিকে  নেপলসে। বোরবন রাজাদের শাসনকালে নেপলস ইউরোপের অন্যতম বৃহত্তম শহরে পরিণত হয়েছিল। বিদেশি বাণিজ্য এবং গ্রাম থেকে...

ফুচকার ইতিহাস! মহাভারত থেকে এখনো পর্যন্ত!

Image
পার্কে হোক বা বিয়ে বাড়ি কিংবা বাজারে, ফুচকা ঠেলা দেখলে কার না জিভে জল আসে। আমাদের দেশে সর্বাধিক জনপ্রিয় স্নেক হলো ফুচকা। অন্যান্য রাজ্য এটি পানিপুরি,গোলগাপ্পা,গুপ চুপ প্রভৃতি নামে পরিচিত। ফুচকা সাধারণত ভারতের একটি জনপ্রিয় খাবার। মহাভারতের সঙ্গে এর সম্পর্ক।  অনেকেই বিশ্বাস করেন যে ফুচকার ইতিহাস মহাভারতের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু এর কোন তাত্ত্বিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। দ্রৌপদী পঞ্চপান্ডবকে বিয়ে করে আসার পর কুন্তী দ্রৌপদীকে বাড়ির অবশিষ্ট সবজি দিয়ে কিছু সুস্বাদু খাবার বানাতে বলেন। দ্রৌপদী সেই সবজিগুলোর একটি ডো বানিয়ে পুরির ভেতরে দিয়ে সবাইকে খেতে দেয়, পরবর্তীকালে এই খাবারটি নাকি পানিপুরি বাপ ফুচকাতে পরিণত হয়েছে। পাটলিপুত্রর সাথে ফুচকার সম্পর্ক।  অনেকেই মনে করেন যে প্রথম ফুচকা কিংবা পানি পুরি এই পাটলিপুত্রতে হয়েছিল। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চদশ শতকে মগধের রাজধানী ছিল পাটলিপুত্র। মোটামুটি লিট্টি চোখা তৈরি হওয়ার কাছাকাছি সময় এই ফুচকা তৈরি হয়েছিল বলে গবেষকরা মনে করেন। তবে ফুচকা কে তৈরি করেছিল তা এখনো জানা যায়নি।

হৃদপিণ্ড ছাড়া বেঁচে ছিলেন 555 দিন,জানুন বিস্তারিত l

Image
 কল্পনা করুন আপনার শরীরে হৃদপিণ্ড নেই, ভাবতে অবাক লাগছে না,হৃৎপিণ্ড ছাড়া মানুষ কেমন করে বাঁচবে। ভাবুন একটি যন্ত্র আপনার শরীরে ঝুলানো আছে এবং এটি হৃদপিণ্ডের কাজ করছে!২৫ বছর বয়সি স্ট্যান লার্কিন এক বছরেরও বেশি সময় কৃত্রিম হৃৎপিণ্ড নিয়ে বেঁচে ছিলেন। এই যন্ত্রটির ওজন ছিল প্রায় সাড়ে পাঁচ কিলো, যা তিনি নিজের কাঁধে নিয়ে ঘুরতেন। তিনি জানেন এর অনুভূতিটা কেমন।  তিনি কার্ডিওমায়োপ্যাথি নামক একটি মারণ রোগে ভুগছিলেন। লার্কিন ৯ বছর বয়সে এই রোগে আক্রান্ত হন। এটি একটি জেনেটিক রোগ। একদিন বাস্কেটবল খেলতে গিয়ে হঠাৎ তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এই রোগে হৃৎপিণ্ডের পেশি প্রসারিত হয়,সময় মতন চিকিৎসা না হলে হৃদপিণ্ড শরীরের রক্ত পাম্প করা বন্ধ করে দেয়,ফলে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। ২০১৪ সালে ৯ মে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্র্যাঙ্কেল কার্ডিওভাসকুলার সেন্টারে লার্কিনের আসল হৃৎপিণ্ড সরিয়ে তার পরিবর্তে কৃত্তিম হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন করা হয়, তার সঙ্গে  একটি ব্যাকপ্যাক যুক্ত ছিল যেটি তার কৃতিম হৃদপিণ্ডকে  চার্জ করে রাখত। তার ভাই ডমিনকেও এই রোগে ভুগছিলেন, দুই ভাই নকল হৃৎপিণ্ড নিয়ে কাজ চালাতেন। ...

জলে থেকেও সাঁতার কাটতে জানেনা, কারণ জানলে অবাক হবেন!

Image
 জীবিত স্থলচর প্রাণীদের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম প্রাণী হলো জলহস্তী। পুরুষ জলহস্তীর ওজন প্রায় ৪৫০০ কেজি এবং স্ত্রী জলহস্তীর ওজন প্রায় দেড় হাজার কেজি  হয়ে থাকে। জলহস্তির বৈজ্ঞানিক নাম হল হিপোপটেমাস এমফিবিয়াস, এটি একটি গ্রিক শব্দ যার অর্থ হল "নদীর ঘোড়া"। কিন্তু সত্যিই কি জলহস্তী সাঁতার কাটতে পারে চলুন জানি জলহস্তীর সাঁতার দক্ষতা সম্পর্কে।  জলহস্তী কি সাঁতার কাটতে পারে? নদী ও হ্রদে প্রচুর সময় থাকার পরেও জলহস্তী সাঁতার কাটতে পারে না। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর তথ্য অনুযায়ী জলহস্তী জলের নিচে নিঃশ্বাস নিতে পারেনা। কিন্তু জলহস্তীর এত ভারী শরীর এবং মজবুত ঘন হাড় হওয়ার সত্ত্বেও সে কিভাবে ১৬ ঘন্টা পর্যন্ত জলে কাটায়? জলহস্তী তার ভারী শরীর ব্যবহার করে জলে থাকে। যখন সে গভীর জলে থাকে তখন ডুবে গিয়ে তলের মাটিতে হেঁটে চলে। যখন তার নিঃশ্বাস নেওয়ার প্রয়োজন হয় মাটিতে ধাক্কা দিয়ে উপরে উঠে আসে এবং নিঃশ্বাস নিয়ে আবার ডুবে যায়।BCC Earth এর অনুসারে জলহস্তীদের চোখ ও নাক উঁচু  হওয়ার কারণে অগভীর জলে সম্পূর্ণভাবে ডুবে থেকেও তারা দেখতে এবং নিঃশ্বাস নিতে পারে। জলহস্তী কি খেয়ে থাকে?...

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি? এর ইতিহাস? এবং সুবিধা অসুবিধা !

Image
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি? এর ইতিহাস ! এবং সুবিধা অসুবিধা ! কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (artificial intelligent - AI) কাকে বলে? What is Artificial intelligent কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হল এমন এক ধরনের প্রযুক্তি যেখানে কোন কম্পিউটার কিংবা মেশিন মানুষের মতন চিন্তাভাবনা করতে পারে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এই প্রযুক্তি মানুষের বুদ্ধিমত্তা অনুকরণ করে যান্ত্রিক উপায় আদেশ দেওয়া-নেওয়ার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় ভাবে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে থাকে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (artificial intelligent - AI) জনক কে এবং তার অবদান? জন ম্যাকার্থি ( John McCarthy) হলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক। ১৯৫৬ সালে জন ম্যাকার্থি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট (artificial intelligent -AI) শব্দটি ব্যবহার করেন। ইনি পেশায় ছিলেন একজন আমেরিকান কম্পিউটার সাইন্টিস্ট। জন ম্যাকার্থির গুরুত্বপূর্ণ সন্ধানগুলির মধ্যে একটি হল LIPS ( List Processing), এটি এক ধরনের programming language যা বিশেষ ভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অগ্রগতির পরবর্তী ধাপ : অ্যালন টুরিং (Alan Turing) একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ...

ভারতীয় সংবিধানের ইতিহাস , History of Indian constitution.

Image
 ভারতীয় সংবিধানের ইতিহাস   ১৬০০ শতকে ব্রিটিশরা রানী এলিজাবেথের ফরমান নিয়ে ভারতে ব্যবসা করতে আসেন। ১৭৬৫ সালে কোম্পানি বাংলা বিহার উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে। তারপর ১৮৫৮ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর রানী এলিজাবেথ ভারতের শাসনভার কোম্পানির কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে ব্রিটিশ সরকারকে দায়িত্ব দেয়। এই দায়িত্বটা হঠাৎ করে ১৮৫৮ সালে ব্রিটিশ সরকারের হাতে চলে আসেনি। এটি ধীরে ধীরে বিভিন্ন অ্যাক্টের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার কোম্পানি এবং ভারতের শাসন নিজের হাতে তুলে নেয়। ব্রিটিশ সরকার ভারত এবং কোম্পানিকে শাসন ও পরিচালনা করার জন্য কিছু নিয়ম কানুন সময় সময় তৈরি করতো। পরবর্তীকালে এই সমস্ত নিয়ম কানুন গুলি আমাদের ভারতের সংবিধানে প্রভাব বিস্তার করে। ভারতের সংবিধানের ইতিহাসের দিক থেকে এই নিয়ম কানুনগুলিকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয় প্রথমটি কোম্পানির রুল - ১৭৭৩ থেকে ১৮৫৮ সাল , দ্বিতীয়টি দ্যা ক্রাউন রুল - ১৮৫৮ থেকে ১৯৪৭, দ্য কোম্পানি রুল ১৭৭৩ থেকে ১৮৫৮ রেগুলেটিং অ্য...

কোহিলি ও সল্টের ব্যাটের ঝড়ে পিছিয়ে গেল কালবৈশাখী। IPL-2025, RCB vs KKR.

Image
  বিরাট কোহলি এবং সল্ট ঝড় তুললেন কাল ইডেনের মাঠে। ২২ রান বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে যায় বেঙ্গালুরু।  টসে নেমেই হেরে গেল কেকেআরের ক্যাপ্টেন রাহানে। সম্ভবত চেজমাস্টারের পরামর্শে প্রথম বল করার সিদ্ধান্ত নিলেন আরসিবির ক্যাপ্টেন রজত পট্টিদার।  এবারের আইপিএল ম্যাচে প্রথমবারই ব্যর্থ হলেন কেকেআরের ওপেনার কুইন্টন ডিকক। মাত্র ৪ রানে কুইন্টন ডিকক ব্যাট ব্যাট বগল চাপা করে প্যাভিলিয়নের ফিরে আসেন। তারপর ১০০ রানের জুটি বাঁধে নারিন এবং রাহানের। নারিন ৪৪ রান করে রসিক সালামের বলে জিতেশ শর্মা দ্বারা কেচ আউট হন। নারীনের পরে কুনাল পান্ডিয়ার বলে ৫৬ রান করে ক্যাচ আউট হন রাহানেও। ক্যাচটি ধরেন রসিক সালাম। তারপর রাসেল আর রিঙ্কু সিং কিছুটা হাল ধরলেও ১৭৪ রানের গুটিয়ে যায় কেকেয়ারের টিম।  এই ম্যাচে আরসিবি র হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট নিয়েছে কুনাল পান্ডিয়া - ৩ টি, হ্যাজেলহুট নিয়েছে ২টি, ইয়েস দয়াল,রসিক সালাম,সুয়েশ শর্মা একটি করে উইকেট নিয়েছেন। কিং কোহিলি এবং সল্ট ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বৈভব আগারওয়াল কে বেধড়ক পিটুনি দেন। ৯ টা চার এবং দুটো ছয় মেরে ৫৬ রান করে বরুণ চক্রবর্তীর বলে আউট হন পি সল্ট। ...

উটের কুঁজ কি সত্যিই জল ধরে রাখে? চলুন জেনে নিই আসল সত্য!

Image
ছোটবেলা থেকে আমরা জানি যে উট তার কুঞ্জে জল সঞ্চয় করে রাখে। যা মরুভূমিতে জলের অভাব থেকে তাকে বাঁচায়। কিন্তু এটা সত্য নয়, উট কুঞ্জ জল সঞ্চয় করে না বরং এই কুঞ্জে চর্বি জমা থাকে।। যখন উটের খাদ্যের অভাব হয় তখন এটি পুষ্টির উৎস হিসেবে কাজ করে, যখন উট খাবার খায় তখন অতিরিক্ত চর্বি এই কুঞ্জে সঞ্চয় করে।  খাদ্যের প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে উটের এই কুঞ্জ বা গুড়ির আকার পরিবর্তিত হয়। দীর্ঘ সময়ে খাবার না খেলে উটের এই গুড়ি ঝুলে যায়। যখন তার পর্যাপ্ত খাবারের যোগান থাকে তখন আবার এই গুড়ি সোজা হয়ে যায়।  উটের এই গুড়ি বা কুঞ্জ মরুভূমিতে উঠের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। গুড়িতে অত্যধিক চর্বি থাকার বলে উটের শরীরের অন্যান্য অংশে তাপমাত্রা কম থাকে।  উটের রক্তকণিকা বিশেষভাবে তৈরি যা প্রচুর পরিমাণে জল ধরে রাখতে পারে।  সুতরাং উটের গুড়ি বা কুঞ্জ জল সঞ্চয় করে না বরং এটি খাদ্য এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের সাহায্য করে।

সুখী দেশগুলির তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে ফিনল্যান্ড। ভারতকে ছাপিয়ে গেছে..............

Image
  সম্প্রতি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি(Oxford University) এবং ওয়েলবিং রিসার্চ সেন্টার(wellbeing research Centre) যৌথ উদ্যোগে ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস ইনডেক্স রিপোর্ট - 2025 (world happiness report) প্রস্তুত করা হয়েছে। এই রিপোর্ট অনুযায়ী আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র এই বছর  ২৪ তম স্থানে নেমে গেছে। ভারত ১৪৭ টি দেশের মধ্যে ১১৮ তম স্থানে রয়েছে যার হ্যাপিনেস স্কোর হল ৪.৩৮৯। ভারতের এই হ্যাপিনেস স্কোর নেপাল বাংলাদেশ,চীনের থেকেও কম। ভারতীয়দের মানসিক চাপ এর প্রধান কারণ হিসেবে জানা গেছে। নর্ডিক দেশগুলি গত বছরের মতন এ বছরও তাদের প্রাধান্য বিস্তার করেছে। এই রিপোর্টে প্রথম স্থানে রয়েছে ফিনল্যান্ড। ফিনল্যান্ড টানা আট বছর তার নিজের স্থান ধরে রেখেছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ডেনমার্ক,তৃতীয় স্থানে রয়েছে আইসল্যান্ড এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে সুইডেন। এই বছর কিছু নতুন দেশ শীর্ষ দশটি দশের মধ্যে প্রবেশ করেছে,যার মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে কোস্টারিকা এবং দশম স্থান রয়েছে মেক্সিকো।  এই রিপোর্ট অনুযায়ী আফগানিস্তান বিশ্বের সবথেকে অসুখী দেশ যা সর্বনিম্ন রেংকিং এ রয়েছে। তাছাড়া সিয়েরা লিওনি এবং লেভেনানো তাদের চল...

মহাকাশে দীর্ঘ 286 দিন!এই দৌড়ে একা নয় সুনিতা উইলিয়ামস ও বেরি উইলমোর!জেনে নিন প্রথম ১০ জনের তালিকা I

Image
https://images.app.goo.gl/E81U1P89gun35pYZA  সম্প্রতি ২৮৬ দিন মহাকাশে থাকার পর পৃথিবীতে ফিরে এসেছেন সুমিতা উইলিয়ামস এবং বেরি ব্যাচ উইলমোর। প্রাথমিকভাবেই মিশনটি ৮ দিনের হওয়ার কথা ছিল কিন্তু মহাকাশে গতির সমস্যার কারণে এই মিশনটি হয়ে ওঠে ২৮৬ দিনের। প্রায় ৯ মাস কক্ষপথে ঘোরার পর অবশেষে তারা ফ্লোরিডা উপকূলের space X ক্যাপসুল এর সাহায্যে অবতরণ করে।  মহাকাশে এতদিন থাকার যুদ্ধে উইলিয়ামস এবং উইলমোর একা নয়। এদের আগেও অনেক মহাকাশচারী মহাকাশে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন। ভালেরি পলিয়াকাভ থেকে শুরু করে স্কট কেলি, পান্তর দুব্রভাবের  নাম উল্লেখযোগ্য। নিম্নে মহাকাশে সবথেকে বেশি দিন থাকার তালিকা প্রস্তুত করা হলো :-

দিল্লির বায়ু দূষণ - বিশ্বের দশটি রাজধানী শহরগুলির মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে ভারতের রাজধানী দিল্লি I Delhi air pollution report I Delhi AQI Index

Image
                                          ২০২৪ সালে   World Air Quality Index (AQI)  অনুযায়ী নিউ দিল্লি দূষিত শহর গুলির মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।  বায়ু দূষণ বর্তমান দিনে জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।  দিল্লি কেন ভারতের প্রত্যেকটা শহরেই এখন বায়ু দূষণের কবলে। দিল্লির বায়ু দূষণ- মানের সামান্য উন্নতি ঘটলে সেটি ব্রেকিং নিউজ হয়ে যায়।  শুধুমাত্র দিল্লী নয় এর সঙ্গে দৌড়ে আছে আরো ১০ টি দেশ যাদের বায়ু দূষণের মান জীবনের উপযুক্ত নয়। ২০২৪ সালে ওয়ার্ল্ড এয়ার কোয়ালিটি রিপোর্ট অনুসারে ভারতের রাজধানী দিল্লি দূষিত শহর গুলির মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, প্রথম স্থানে রয়েছে আফ্রিকার চান্দ দেশের রাজধানী এন ' জমেনা। দুটি শহরের বার্ষিক পিএম ২.৫ এর গড় হল ৯০ মাইক্রগ্রাম/ঘন মিটার। বিশ্বের শীর্ষ ১০ টি দূষিত রাজধানীর শহরের তালিকা নিম্নে প্রকাশ করা হলো। বর্তমানে  IQ air-এর ওয়ার্ল্ড এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে রিপোর্টে ৮৯৫৪টি শহরের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। চলুন এবা...

মৃত সাগরের পানি লবণাক্ত কেন? why dead sea is salty?

Image
 ডেড সি যা মৃত সাগর নামেও পরিচিত,একটি লবণ হ্রদ।এর পূর্বদিকে রয়েছে জর্ডান এবং পশ্চিম দিকে রয়েছে ইসরাইল ও ওয়েস্ট ব্যাংক। মৃত সাগর সমুদ্রের তুলনায় প্রায় ১০ গুন বেশি লবণাক্ত। এটি এতটাই ঘনত্ব যে একজন সাধারণ মানুষ সহজেই এর উপর ভেসে থাকতে পারবে। ডেড সি লবণাক্ত হওয়ার কারণ গুলি নিচে উল্লেখ করা হলো:- গত কয়েক দশক ধরে ডেড সির  মধ্যে প্রবাহিত হওয়া বেশিরভাগ মিষ্টি জলের নদীগুলির গতিপথ পরিবর্তন করা হয়েছে,যার ফলে এর জলস্তর নিচে নেমে গেছে এবং আগের চেয়ে এর লবণাক্ততা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।                                                                                                                   এর চারিদিকে উচ্চভূমি দ্বারা বেষ্টিত ফলে জল প্রবাহের বাধা সৃষ্টি হয়।          ...

মহাকাশ থেকে ফেরার পর হতে পারে এই ধরনের সমস্যা ! জেনে নিন 👇🏿👇🏿👇🏿

মাধ্যাকর্ষহীন পরিবেশে দীর্ঘ সময় থাকার পর শরীরের স্বাভাবিক কার্যপ্রণালী বদলে যায়। তাই মহাকাশ থেকে ফেরার পর মহাকাশচারীদের বিভিন্ন শারীরিক এবং মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।  আজকের আমরা এই ব্লগের মাধ্যমে সেই সমস্ত শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা গুলি আপনাদের সামনে তুলে ধরব।  বেশিক্ষণ ওজনবিহীন পরিবেশে থাকার কারণে পেশি অথবা হাড়ের ঘনত্ব কমে যায়, যার ফলে গ্র্যাভিটি যুক্ত স্থানে চলাফেরা করতে সমস্যা হতে পারে। মাধ্যাকর্ষণ শক্তির অভাবে রক্তের সঞ্চালন কমে যায়, যার ফলে কখনো কখনো মহাকাশচারীরা হৃদরোগে আক্রান্ত হন। মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে ফেরার পর শরীরে ভারসাম্য আনতে অনেকটা সময় লাগে যার ফলে এই মাঝখানের সময়টায় মাথা ঘোরা কিংবা মাথা ব্যথার মতন সমস্যা হতে পারে।  রক্ত সঞ্চালনের পরিবর্তনের কারণে মহাকাশচারীদের চোখের ভেতরে চাপ পড়ে, যার ফলে দীর্ঘমেয়াদী চোখের সমস্যা দেখা দিতে পারে।  মহাকাশে বায়ুমণ্ডল না থাকার কারণে মহাকাশচারীদের শরীরে তেজস্ক্রিয় রশ্মির প্রভাব অত্যাধিক দেখা যায় যার ফলে মহাকাশচারীরা বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হন।  দিন এবং রাতের স্বাভাবিক চক্রে না থাকার কারণে মহাকাশচা...

পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে পৌছে গেছেন মহাকাশে,এক অদম্য নারীর গল্প।

Image
Photo credit:- https://images.app.goo.gl/V7x3CYcFR9heQjYC6 পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে পৌছে গেছেন মহাকাশে,এক অদম্য নারীর গল্প।  মহাকাশে টানা 286 দিন থাকার পর তিনি পৃথিবীতে নিরাপদে ফিরে এসেছেন। মহাকাশে তিনি 4577 টি কক্ষপথ সম্পন্ন করেছেন।  সুনিতা উইলিয়াম ১৯৬৫ সালে সেপ্টেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন একজন ভারতীয় এবং মা ছিলেন স্লোভেনিয়ার মার্কিন নাগরিক।  তিনি ১৯৮৩ সালে নিডহাম হাই স্কুল থেকে হায়ার সেকেন্ডারি ডিগ্রি অর্জন করে ১৯৮৭ সালে মার্কিন নৌ বাহিনী একাডেমি থেকে পদার্থবিজ্ঞানে ব্যাচেলার ডিগ্রী অর্জন করেন, এরপর তিনি ১৯৯৫ সালে ফ্লোরিডা ইনস্টিটিউট টেকনোলজি থেকে প্রকৌশল ব্যবস্থাপনায় মাস্টার ডিগ্রী অর্জন করেন।  ১৯৮৭ সালে তিনি মার্কিন নৌ বাহিনীতে যোগদান করেন।  তিনি নয়টি স্পেসওয়াক সম্পন্ন করে মহিলাদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন। এছাড়া তিনি মহাকাশে টানা 286 দিন অবস্থানের রেকর্ড নিজের নামে করেছেন। সুনিতা উইলিয়ামস বিশ্বের প্রথম মহাকাশচারী যিনি 50 ঘণ্টা ৪০ মিনিটে স্পেসওয়াক করেছেন। তাছাড়া তিনি 2012 সালে কমান্ডার হিসেবে ই...

"ব্রহ্মপুত্রের বুকে এক অপূর্ব রত্ন—উমানন্দ দ্বীপ!

Image
উমানন্দ দ্বীপ ভারতের আসাম রাজ্যের গুয়াহাটি শহরের ব্রহ্মপুত্র নদীর মাঝখানে অবস্থিত একটি ছোট দ্বীপ। এটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ধর্মীয় গুরুত্বের জন্য পরিচিত। জনবসতি উমানন্দ দ্বীপটি আসামের অন্যান্য জনবহুল দ্বীপগুলোর মতো নয়। এটি মূলত একটি ধর্মীয় ও পর্যটনকেন্দ্র, তাই এখানে স্থায়ী জনবসতি নেই। তবে, দ্বীপের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কিছু কর্মচারী এবং পুরোহিতরা মাঝে মাঝে অবস্থান করেন। ভাষা যেহেতু উমানন্দ দ্বীপ গুয়াহাটি শহরের অন্তর্গত, তাই এখানকার প্রধান ভাষা আসামি। পাশাপাশি হিন্দি ও ইংরেজিও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে পর্যটকদের মধ্যে। নামকরণের সার্থকতা উমানন্দ নামটি সংস্কৃত শব্দ "উমা" (দেবী পার্বতীর আরেক নাম) এবং "আনন্দ" (আনন্দ বা সুখ) থেকে এসেছে। কথিত আছে, এখানে ভগবান শিব ধ্যানমগ্ন ছিলেন, এবং তাই এই দ্বীপকে "উমানন্দ" বলা হয়, যার অর্থ "উমার আনন্দের স্থান"। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 1. উমানন্দ মন্দির: দ্বীপের প্রধান আকর্ষণ হলো শিবকে উৎসর্গীকৃত উমানন্দ মন্দির। এটি আহোম রাজা গদাধর সিংহ (১৬৮১-১৬৯৬) নির্মাণ করেছিলেন। 2. পরিবহন ব্যবস্থা: উমানন...

সেলফি শব্দটির ইতিহাস জানেন?

Image
সেলফি শব্দটি প্রথম ২০০২ সালে একটি অস্ট্রেলিয়ান অনলাইন ফোরামে ব্যবহার করা হয়। নাথান হোপ নামে এক ব্যক্তি তার আহত ঠোঁটের একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন: "Sorry about the focus, it was a selfie." (ফোকাসের জন্য দুঃখিত, এটি একটি সেলফি ছিল।) ভাষাবিদরা মনে করেন যে -ie যুক্ত করা অস্ট্রেলিয়ান ইংরেজিতে শব্দ ছোট করার একটি সাধারণ ধরন (যেমন barbie থেকে barbecue বা brekkie থেকে breakfast)। পরে এই শব্দটি ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয় এবং ২০১৩ সালে অক্সফোর্ড ডিকশনারি সেলফি শব্দটিকে Word of the Year (বর্ষসেরা শব্দ) ঘোষণা করে।

করলা পাতা খাওয়ার ছয়টি উপকারিতা:

Image
  করলা, বা উচ্ছে, তার অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য পরিচিত, তবে এর পাতা অনেকের কাছেই কম পরিচিত একটি পুষ্টিকর ভাণ্ডার। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ, করলার পাতা ঐতিহ্যগতভাবে বিভিন্ন চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে এবং এখন আধুনিক খাদ্যতালিকায় এর সম্ভাব্য ভূমিকার জন্য আগ্রহ পাচ্ছে। করলা পাতার স্বাস্থ্য উপকারিতা: ✔ রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে – ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। ✔ হজমশক্তি উন্নত করে – এতে প্রচুর আঁশ থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। ✔ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে – ভিটামিন C শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করে। ✔ ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে – অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র‍্যাডিক্যাল দূর করে ও কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে। ✔ ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে – এটি কম ক্যালোরিযুক্ত এবং বেশি আঁশযুক্ত হওয়ায় পেট ভরিয়ে রাখে। ✔ যকৃতের (লিভার) কার্যকারিতা উন্নত করে – শরীরের টক্সিন দূর করতে সহায়তা করে। আপনি কি জানতে চান কীভাবে করলা পাতা খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যায়? 😊 https://indianexpress.com/article/lifestyle/food-wine/six-benefits-...

কনফার্ম টিকিট ছাড়া প্লাটফর্মে প্রবেশ নিষেধ

Image
এবার আপনার কাছে কনফার্ম টিকিট না থাকলে স্টেশনের থেকেই ঘুরে আসতে হবে।  হ্যাঁ ঠিক শুনেছেন, সম্প্রতি রেলমন্ত্রক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  কলকাতা দিল্লি মুম্বাই চেন্নাই ৬০ টি স্টেশনে ভিড় কমানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উৎসবের দিনগুলিতে প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা যায় এবং ট্রেনের কামড়াগুলি বীভৎসভাবে জ্যাম থাকে।  ভারতীয় রেলওয়ে আইন ১৯৮৯ এর ১৫৫ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র কনফার্ম কিংবা RAC টিকিটের প্যাসেঞ্জাররা স্লিপার ক্লাস অথবা এসি ক্লাসে চড়তে পারবে। ওয়েটিং লিস্ট টিকিটধারীরা স্লিপার বা এসি কোচে ভ্রমণ করতে পারবেন না।