Posts

history of Pizza. পিৎজার ইতিহাস!

Image
বিশ্বের জনপ্রিয় ফার্স্ট ফুড এর মধ্যে একটি হলো পিজ্জা। ঐতিহাসিক শিকড় লুকিয়ে আছে প্রাচীন যুগে। ১৮৮৯ সালে একটি রাজকীয় অনুমোদনের মাধ্যমে এটি বিশ্বজুড়ে খ্যাতি লাভ করে। আমেরিকায় প্রতিবছর প্রায় তিন বিলিয়ন পিজা বিক্রি হয়, কিন্তু কিভাবে এই পিজা বিশ্বকাপে লাভ করলো ? মানুষ বহু সময় আগে থেকেই বিভিন্ন ধরনের পিজা খেয়ে আসছে। প্রাচীনকালে ব্রেড টুকরোর ওপর বিভিন্ন সুস্বাদু উপাদান যোগ করে এটি পরিবেশন করা হতো। সাধারণত তখনকার দিনে যারা থালা কিনতে পারত না বা যারা চলার পথে খাবার খেত তাদের জন্য এটা জনপ্রিয় ছিল। এই প্রাচীন পিজ্জার উল্লেখ ভীর্জিলের এনিয়েড কাব্যে পাওয়া যায়। এনিয়াস নামে এক ব্যক্তি এবং তার সঙ্গীরা যাত্রার সময় একটি গাছের নিচে বসে পাতলা গমের রুটির উপরে জঙ্গলে পাওয়া মাশরুম এবং গুল্ম দিয়ে রুটিগুলো সাজিয়েছিল। এটা খেয়ে এনিয়াসের পুত্র তাশকানিয়াশ বিস্মিত হয়ে বলল: দেখো আমরা তো আমাদের প্লেটটাই খেয়ে ফেলেছি। কিন্তু বর্তমান পূজার জন্ম হয় ১৮ শতকের শেষের দিকে  নেপলসে। বোরবন রাজাদের শাসনকালে নেপলস ইউরোপের অন্যতম বৃহত্তম শহরে পরিণত হয়েছিল। বিদেশি বাণিজ্য এবং গ্রাম থেকে...

ফুচকার ইতিহাস! মহাভারত থেকে এখনো পর্যন্ত!

Image
পার্কে হোক বা বিয়ে বাড়ি কিংবা বাজারে, ফুচকা ঠেলা দেখলে কার না জিভে জল আসে। আমাদের দেশে সর্বাধিক জনপ্রিয় স্নেক হলো ফুচকা। অন্যান্য রাজ্য এটি পানিপুরি,গোলগাপ্পা,গুপ চুপ প্রভৃতি নামে পরিচিত। ফুচকা সাধারণত ভারতের একটি জনপ্রিয় খাবার। মহাভারতের সঙ্গে এর সম্পর্ক।  অনেকেই বিশ্বাস করেন যে ফুচকার ইতিহাস মহাভারতের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু এর কোন তাত্ত্বিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। দ্রৌপদী পঞ্চপান্ডবকে বিয়ে করে আসার পর কুন্তী দ্রৌপদীকে বাড়ির অবশিষ্ট সবজি দিয়ে কিছু সুস্বাদু খাবার বানাতে বলেন। দ্রৌপদী সেই সবজিগুলোর একটি ডো বানিয়ে পুরির ভেতরে দিয়ে সবাইকে খেতে দেয়, পরবর্তীকালে এই খাবারটি নাকি পানিপুরি বাপ ফুচকাতে পরিণত হয়েছে। পাটলিপুত্রর সাথে ফুচকার সম্পর্ক।  অনেকেই মনে করেন যে প্রথম ফুচকা কিংবা পানি পুরি এই পাটলিপুত্রতে হয়েছিল। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চদশ শতকে মগধের রাজধানী ছিল পাটলিপুত্র। মোটামুটি লিট্টি চোখা তৈরি হওয়ার কাছাকাছি সময় এই ফুচকা তৈরি হয়েছিল বলে গবেষকরা মনে করেন। তবে ফুচকা কে তৈরি করেছিল তা এখনো জানা যায়নি।

হৃদপিণ্ড ছাড়া বেঁচে ছিলেন 555 দিন,জানুন বিস্তারিত l

Image
 কল্পনা করুন আপনার শরীরে হৃদপিণ্ড নেই, ভাবতে অবাক লাগছে না,হৃৎপিণ্ড ছাড়া মানুষ কেমন করে বাঁচবে। ভাবুন একটি যন্ত্র আপনার শরীরে ঝুলানো আছে এবং এটি হৃদপিণ্ডের কাজ করছে!২৫ বছর বয়সি স্ট্যান লার্কিন এক বছরেরও বেশি সময় কৃত্রিম হৃৎপিণ্ড নিয়ে বেঁচে ছিলেন। এই যন্ত্রটির ওজন ছিল প্রায় সাড়ে পাঁচ কিলো, যা তিনি নিজের কাঁধে নিয়ে ঘুরতেন। তিনি জানেন এর অনুভূতিটা কেমন।  তিনি কার্ডিওমায়োপ্যাথি নামক একটি মারণ রোগে ভুগছিলেন। লার্কিন ৯ বছর বয়সে এই রোগে আক্রান্ত হন। এটি একটি জেনেটিক রোগ। একদিন বাস্কেটবল খেলতে গিয়ে হঠাৎ তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এই রোগে হৃৎপিণ্ডের পেশি প্রসারিত হয়,সময় মতন চিকিৎসা না হলে হৃদপিণ্ড শরীরের রক্ত পাম্প করা বন্ধ করে দেয়,ফলে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। ২০১৪ সালে ৯ মে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্র্যাঙ্কেল কার্ডিওভাসকুলার সেন্টারে লার্কিনের আসল হৃৎপিণ্ড সরিয়ে তার পরিবর্তে কৃত্তিম হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন করা হয়, তার সঙ্গে  একটি ব্যাকপ্যাক যুক্ত ছিল যেটি তার কৃতিম হৃদপিণ্ডকে  চার্জ করে রাখত। তার ভাই ডমিনকেও এই রোগে ভুগছিলেন, দুই ভাই নকল হৃৎপিণ্ড নিয়ে কাজ চালাতেন। ...

জলে থেকেও সাঁতার কাটতে জানেনা, কারণ জানলে অবাক হবেন!

Image
 জীবিত স্থলচর প্রাণীদের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম প্রাণী হলো জলহস্তী। পুরুষ জলহস্তীর ওজন প্রায় ৪৫০০ কেজি এবং স্ত্রী জলহস্তীর ওজন প্রায় দেড় হাজার কেজি  হয়ে থাকে। জলহস্তির বৈজ্ঞানিক নাম হল হিপোপটেমাস এমফিবিয়াস, এটি একটি গ্রিক শব্দ যার অর্থ হল "নদীর ঘোড়া"। কিন্তু সত্যিই কি জলহস্তী সাঁতার কাটতে পারে চলুন জানি জলহস্তীর সাঁতার দক্ষতা সম্পর্কে।  জলহস্তী কি সাঁতার কাটতে পারে? নদী ও হ্রদে প্রচুর সময় থাকার পরেও জলহস্তী সাঁতার কাটতে পারে না। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর তথ্য অনুযায়ী জলহস্তী জলের নিচে নিঃশ্বাস নিতে পারেনা। কিন্তু জলহস্তীর এত ভারী শরীর এবং মজবুত ঘন হাড় হওয়ার সত্ত্বেও সে কিভাবে ১৬ ঘন্টা পর্যন্ত জলে কাটায়? জলহস্তী তার ভারী শরীর ব্যবহার করে জলে থাকে। যখন সে গভীর জলে থাকে তখন ডুবে গিয়ে তলের মাটিতে হেঁটে চলে। যখন তার নিঃশ্বাস নেওয়ার প্রয়োজন হয় মাটিতে ধাক্কা দিয়ে উপরে উঠে আসে এবং নিঃশ্বাস নিয়ে আবার ডুবে যায়।BCC Earth এর অনুসারে জলহস্তীদের চোখ ও নাক উঁচু  হওয়ার কারণে অগভীর জলে সম্পূর্ণভাবে ডুবে থেকেও তারা দেখতে এবং নিঃশ্বাস নিতে পারে। জলহস্তী কি খেয়ে থাকে?...

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি? এর ইতিহাস? এবং সুবিধা অসুবিধা !

Image
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি? এর ইতিহাস ! এবং সুবিধা অসুবিধা ! কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (artificial intelligent - AI) কাকে বলে? What is Artificial intelligent কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হল এমন এক ধরনের প্রযুক্তি যেখানে কোন কম্পিউটার কিংবা মেশিন মানুষের মতন চিন্তাভাবনা করতে পারে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এই প্রযুক্তি মানুষের বুদ্ধিমত্তা অনুকরণ করে যান্ত্রিক উপায় আদেশ দেওয়া-নেওয়ার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় ভাবে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে থাকে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (artificial intelligent - AI) জনক কে এবং তার অবদান? জন ম্যাকার্থি ( John McCarthy) হলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক। ১৯৫৬ সালে জন ম্যাকার্থি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট (artificial intelligent -AI) শব্দটি ব্যবহার করেন। ইনি পেশায় ছিলেন একজন আমেরিকান কম্পিউটার সাইন্টিস্ট। জন ম্যাকার্থির গুরুত্বপূর্ণ সন্ধানগুলির মধ্যে একটি হল LIPS ( List Processing), এটি এক ধরনের programming language যা বিশেষ ভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অগ্রগতির পরবর্তী ধাপ : অ্যালন টুরিং (Alan Turing) একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ...

ভারতীয় সংবিধানের ইতিহাস , History of Indian constitution.

Image
 ভারতীয় সংবিধানের ইতিহাস   ১৬০০ শতকে ব্রিটিশরা রানী এলিজাবেথের ফরমান নিয়ে ভারতে ব্যবসা করতে আসেন। ১৭৬৫ সালে কোম্পানি বাংলা বিহার উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে। তারপর ১৮৫৮ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর রানী এলিজাবেথ ভারতের শাসনভার কোম্পানির কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে ব্রিটিশ সরকারকে দায়িত্ব দেয়। এই দায়িত্বটা হঠাৎ করে ১৮৫৮ সালে ব্রিটিশ সরকারের হাতে চলে আসেনি। এটি ধীরে ধীরে বিভিন্ন অ্যাক্টের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার কোম্পানি এবং ভারতের শাসন নিজের হাতে তুলে নেয়। ব্রিটিশ সরকার ভারত এবং কোম্পানিকে শাসন ও পরিচালনা করার জন্য কিছু নিয়ম কানুন সময় সময় তৈরি করতো। পরবর্তীকালে এই সমস্ত নিয়ম কানুন গুলি আমাদের ভারতের সংবিধানে প্রভাব বিস্তার করে। ভারতের সংবিধানের ইতিহাসের দিক থেকে এই নিয়ম কানুনগুলিকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয় প্রথমটি কোম্পানির রুল - ১৭৭৩ থেকে ১৮৫৮ সাল , দ্বিতীয়টি দ্যা ক্রাউন রুল - ১৮৫৮ থেকে ১৯৪৭, দ্য কোম্পানি রুল ১৭৭৩ থেকে ১৮৫৮ রেগুলেটিং অ্য...

কোহিলি ও সল্টের ব্যাটের ঝড়ে পিছিয়ে গেল কালবৈশাখী। IPL-2025, RCB vs KKR.

Image
  বিরাট কোহলি এবং সল্ট ঝড় তুললেন কাল ইডেনের মাঠে। ২২ রান বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে যায় বেঙ্গালুরু।  টসে নেমেই হেরে গেল কেকেআরের ক্যাপ্টেন রাহানে। সম্ভবত চেজমাস্টারের পরামর্শে প্রথম বল করার সিদ্ধান্ত নিলেন আরসিবির ক্যাপ্টেন রজত পট্টিদার।  এবারের আইপিএল ম্যাচে প্রথমবারই ব্যর্থ হলেন কেকেআরের ওপেনার কুইন্টন ডিকক। মাত্র ৪ রানে কুইন্টন ডিকক ব্যাট ব্যাট বগল চাপা করে প্যাভিলিয়নের ফিরে আসেন। তারপর ১০০ রানের জুটি বাঁধে নারিন এবং রাহানের। নারিন ৪৪ রান করে রসিক সালামের বলে জিতেশ শর্মা দ্বারা কেচ আউট হন। নারীনের পরে কুনাল পান্ডিয়ার বলে ৫৬ রান করে ক্যাচ আউট হন রাহানেও। ক্যাচটি ধরেন রসিক সালাম। তারপর রাসেল আর রিঙ্কু সিং কিছুটা হাল ধরলেও ১৭৪ রানের গুটিয়ে যায় কেকেয়ারের টিম।  এই ম্যাচে আরসিবি র হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট নিয়েছে কুনাল পান্ডিয়া - ৩ টি, হ্যাজেলহুট নিয়েছে ২টি, ইয়েস দয়াল,রসিক সালাম,সুয়েশ শর্মা একটি করে উইকেট নিয়েছেন। কিং কোহিলি এবং সল্ট ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বৈভব আগারওয়াল কে বেধড়ক পিটুনি দেন। ৯ টা চার এবং দুটো ছয় মেরে ৫৬ রান করে বরুণ চক্রবর্তীর বলে আউট হন পি সল্ট। ...

উটের কুঁজ কি সত্যিই জল ধরে রাখে? চলুন জেনে নিই আসল সত্য!

Image
ছোটবেলা থেকে আমরা জানি যে উট তার কুঞ্জে জল সঞ্চয় করে রাখে। যা মরুভূমিতে জলের অভাব থেকে তাকে বাঁচায়। কিন্তু এটা সত্য নয়, উট কুঞ্জ জল সঞ্চয় করে না বরং এই কুঞ্জে চর্বি জমা থাকে।। যখন উটের খাদ্যের অভাব হয় তখন এটি পুষ্টির উৎস হিসেবে কাজ করে, যখন উট খাবার খায় তখন অতিরিক্ত চর্বি এই কুঞ্জে সঞ্চয় করে।  খাদ্যের প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে উটের এই কুঞ্জ বা গুড়ির আকার পরিবর্তিত হয়। দীর্ঘ সময়ে খাবার না খেলে উটের এই গুড়ি ঝুলে যায়। যখন তার পর্যাপ্ত খাবারের যোগান থাকে তখন আবার এই গুড়ি সোজা হয়ে যায়।  উটের এই গুড়ি বা কুঞ্জ মরুভূমিতে উঠের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। গুড়িতে অত্যধিক চর্বি থাকার বলে উটের শরীরের অন্যান্য অংশে তাপমাত্রা কম থাকে।  উটের রক্তকণিকা বিশেষভাবে তৈরি যা প্রচুর পরিমাণে জল ধরে রাখতে পারে।  সুতরাং উটের গুড়ি বা কুঞ্জ জল সঞ্চয় করে না বরং এটি খাদ্য এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের সাহায্য করে।